![]() |
| Health News |
ঢাকা: ২০২৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া মুক্ত দেশে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কার্যক্রমে’র উদ্বোধনকালে এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত মারাত্মক রোগ। থ্যালাসেমিয়া রোগীরা প্রতি মাসে এক থেকে দুই ব্যাগ রক্ত গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা না হয়, আক্রান্ত রোগী রক্ত শূন্যতায় মারা যেতে পারে।
তিনি বলেন, বাঙালি জাতি দীর্ঘ সময় যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। তাই তারা চাইলে যে কোনো অসম্ভবকেই সম্ভব করতে পারে। আমাদের প্রেরণা আছে, সাহস আছে। বাঙালি ইচ্ছে করলে সব পারবে। গত তিনদিনে রোহিঙ্গাদের চিকিৎসার জন্য হাম, পোলিও, ডিপথেরিয়াসহ বিভিন্ন রোগের ছয় লাখ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বিদেশিদের জন্য যদি আমরা এতো কিছু করতে পারি, তবে নিজেদের জন্য পারবো না কেন!
থ্যালাসেমিয়া মুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার একা কিছু পারে না। সরকার উদ্যোগ নেয়, সবার সহযোগিতায় তা বাস্তবায়ন হয়। আপনারাও এগিয়ে আসুন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সরকারি সহযোগিতায় চিকিৎসা সেবাসহ সব সরকারি হাসপাতালে রক্তে থ্যালাসেমিয়ার পরীক্ষা বিনামূল্য করার নির্দেশ দেন কর্তৃপক্ষকে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক বিভাগের পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডা. এহতেশাম-উল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে গান পরিবেশন করেন থ্যালাসেমিয়া হাসপাতালের শিশুরা। পরে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা সম্পর্কে একটি গানের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম,জানুয়ারি ১০, ২০১৮


Post A Comment:
0 comments: